Breaking News
Home / News Headlines (Bangla) / সুকৌশলী পতিতা’রা পুরুষ ব্যবহার করে নানান পদে কর্মরত
ডক্টর. সাবরিনাকে কোন বিচারে একজন মেধাবী ছাত্রী মনে হয় না, তাহলে কিকরে প্রতিটা পরীক্ষায় পাশ করলেন....

সুকৌশলী পতিতা’রা পুরুষ ব্যবহার করে নানান পদে কর্মরত

  • সার্টিফিকেট প্রদান কি সত্যিকার অর্থে  সৎ পরিচালক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে ………..?
  • শরীর ভোগ করে বা বংশপরিচয়ে যদি কেউ প্রফেশনাল পদবী পান সে কি সেবা দিতে পারবেন.……?
  • তার চলাচল এবং বাহ্যিক অঙ্গভঙ্গি কোন ভাবে একজন পড়ুয়া ছাত্রী মনে হয় না …….?
  • তিনি কি জীবনের প্রতিটা পরীক্ষায় সৎ ভাবে উত্তীর্ন হয়েছেন.…………..? 
  • যারা নানান হাসপাতালে ডাক্তারী সনদ পেয়েছেন তাদের কি ক্ষতিয়ে দেখা হবে …….?



[সারাদেশ, অপরাধ]  চিকিৎসক হয়েও নিজের খেয়াল-খুশিমত হাসপাতালে আসা যওয়া করেছেন, কেননা উপড় মহলে তার অনেক ক্ষমতা; চাকুরী যাবে না কোন মতে। দাবি করতেন, দেশের প্রথম নারী কার্ডিয়াক সার্জন তিনি।নিজেদের বাচাতে সহকর্মীরাও তার বিপক্ষে কথা বরছেন। যেন চোরের মর পুলিশ ।।

সহকর্মীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার, মিথ্যাচার, অনৈতিক সুবিধা নেয়া সহ নানা অভিযোগ জেকেজি চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনার বিরুদ্ধে। এ অভিযোগের বিষয়ে কোনো কথা বলতে রাজি হননি ডা. সাবরিনা। তার কর্মকাণ্ডে বিব্রত জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট প্রশাসন। তিন দিনের মধ্যে লিখিত ব্যাখ্যা দেয়ারও নির্দেশ দেয়া হয়েছে ডা. সাবরিনাকে ।- তবে আজ কেন ….??

জাতীয় হৃদরোগ ইনিষ্টিটিউটের কার্ডিয়াক সার্জন তিনি, সকল সদন প্রাপ্তদের প্রশ্নবিদ্ধ করলো । মানবসেবার এই পরিচয় চাপিয়ে তিনি এখন আরোচনায়, তবে কতোদূরে তার সাজা হবে !


নতুন পরিচয়ে জালিয়াতির নতুন কারিগর এখন পুলিশের হেফাজতে। গ্রেপ্তার হওয়ার আগে নিজ চেম্বারে বসে নাগরিক টিভিকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে জানান, জিকেজি ও তার বিরুদ্ধে আনা বিভিন্ন অভিযোগের কথা।

 করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুয়া প্রতিবেদন দেওয়ার মামলায় জোবেদা খাতুন সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার (জেকেজি হেলথকেয়ার) চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার হারুন অর রশিদ মিডিয়া’কে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘তদন্তকারী কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছেন। আমরা এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখাব।’

সাবরিনা আরিফ চৌধুরী জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট এবং হাসপাতালের একজন নিবন্ধিত চিকিৎসক। সরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করা সত্ত্বেও তিনি জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান হিসেবে গণমাধ্যমে একাধিকবার সাক্ষাৎকার দিয়েছেন।

পরে জেকেজি হেলথকেয়ারের জালিয়াতির খবর প্রচার হওয়ায় এ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন তিনি।


এর আগে, টাকার বিনিময়ে নমুনা সংগ্রহ ও ভুয়া প্রতিবেদন দেওয়ার অভিযোগে তেজগাঁও বিভাগের পুলিশ ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর স্বামী আরিফুল হক চৌধুরীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার বাকি চারজন হলেন- হুমায়ুন কবীর, তার স্ত্রী তানজীনা পাটোয়ারী, সাইদ চৌধুরী ও আলমান। এর মধ্যে হুমায়ুন ও তানজীনা একসময় জেকেজিতে কর্মরত ছিলেন। বাকি দুজন এখনো জেকেজিতে কর্মরত।

রোববার ডা. সাবরিনাকে গ্রেফতারের পর ডিসি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ডিসি মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে যেসব প্রশ্ন করা হয়েছে তিনি সেগুলোর সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। তাই তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার তদন্তের জন্য তাকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। সোমবার তাকে আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড চাইবে পুলিশ

করোনাভাইরাস পরীক্ষার টেস্ট না করেই রিপোর্ট ডেলিভারি দেয়া জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা এ চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে তাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপপুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে আনা হয়। সেখানে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।


প্রসঙ্গত, জেকেজি হেলথকেয়ারের করোনা টেস্ট নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী আরিফ চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সাবরিনা তারই স্ত্রী।

এর আগে গত ৪ জুন স্বামী আরিফুলের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে সাবরিনা তেজগাঁও বিভাগের একটি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে অন্তত দুই মাস আগে তাদের মধ্যে বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে ডা. সাবরিনা দাবি করেন।

জেকেজির বিরুদ্ধে অভিযোগ, সরকারের কাছ থেকে বিনামূল্যে নমুনা সংগ্রহের অনুমতি নিয়ে বুকিং বিডি ও হেলথকেয়ার নামে দুটি সাইটের মাধ্যমে টাকা নিচ্ছিল এবং নমুনা পরীক্ষা ছাড়াই ভুয়া সনদ দিত।

এ বিষয়ে রাজধানীর কল্যাণপুরের একটি বাড়ির কেয়ারটেকারের অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ২২ জুন জেকেজি হেলথকেয়ারের সাবেক গ্র্যাফিকস ডিজাইনার হুমায়ুন কবীর হিরু ও তার স্ত্রী তানজীন পাটোয়ারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে প্রতিষ্ঠানটির সিইও আরিফকেও গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনার পর ২৪ জুন জেকেজি হেলথকেয়ারের নমুনা সংগ্রহের যে অনুমোদন ছিল তা বাতিল করে স্বাস্থ্য অধিদফতর।

জানা যায়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় করোনার নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা না করেই জেকেজি প্রতিষ্ঠানটি ১৫ হাজার ৪৬০ টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহ করে।


পুলিশ জানিয়েছে, জেকেজি হেলথকেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনার আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটির ল্যাপটপে তৈরি করা হয়। জব্দ করা ল্যাপটপে এর প্রমাণ মিলেছে। আরিফ চৌধুরীকে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানান, জেকেজির ৭-৮ কর্মী ভুয়া রিপোর্ট তৈরি করেন।

জেকেজির মাঠকর্মীরা ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুর, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে করোনা উপসর্গ দেখা দেয়া মানুষের নমুনা সংগ্রহ করতেন। প্রতি রিপোর্টে ৫-১০ হাজার টাকা নেয়া হতো। আর বিদেশিদের কাছ থেকে নেন ১০০ ডলার। সেই হিসাবে করোনা পরীক্ষার ভুয়া রিপোর্টে প্রায় ৮ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে জেকেজি।

২৪ জুন জেকেজির গুলশান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে প্রতারক আরিফসহ ছয়জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের দুদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। দুজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। জেকেজির কার্যালয় থেকে ল্যাপটপসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি জব্দ করে পুলিশ। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় চারটি মামলা হয়েছে। এসব মামলার কোনোটিতে এখন পর্যন্ত ডা. সাবরিনার নাম সংযুক্ত করা হয়নি। চারটি মামলার তদন্ত করছে তেজগাঁও থানা পুলিশ।

আরিফ গ্রেফতার হওয়ার পর ডা. সাবরিনা গ্রেফতার-আতঙ্কে গা ঢাকা দেন। আড়ালে ‘অদৃশ্য শক্তির’ ইশারায় দায়মুক্তির চেষ্টায় ছিলেন তিনি।



করোনা মহামারীতে মানুষের জীবন নিয়ে নির্মম প্রতারণায় নাম উঠে আসা ডা. সাবরিনা এ চৌধুরী সরকারি একটি হাসপাতালে চাকরির পাশাপাশি জেকেজির চেয়ারম্যান। তিনি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসক। পাশাপাশি তিনি জেকেজি হেলথকেয়ারের চেয়ারম্যান।

আরো সংবাদ পড়ুন :

error: Content is protected !!

Powered by themekiller.com